বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১

শিরোনাম

করোনায় কোরবানির ঈদ: খাবার ও স্বাস্থ্যসচেতনতা

নিজস্ব প্রতিবেদক    |    ০১:১৫ পিএম, ২০২১-০৭-২৪

করোনায় কোরবানির ঈদ: খাবার ও স্বাস্থ্যসচেতনতা

অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ

ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ সমাগত। ঈদ হলো আনন্দের উপলক্ষ্য। বিশ্বব্যাপী করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে এবার কোরবানি ঈদের আমেজ একটু ভিন্ন। আনন্দের মাঝে দেখা দিয়েছে নানা শঙ্কা, জনমনে রয়েছে নানা প্রশ্ন। কোরবানির পশু কেনা থেকে শুরু করে পশু জবাই ও খাদ্য গ্রহণের প্রতিটি স্তরে স্বাস্থ্য সতর্কতা মেনে চলা যাবে কি না, তা নিয়ে রয়েছে নানা বিভ্রান্তি। ধর্মীয় রীতি ও আনন্দ ভাগাভাগি করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি বা স্বাস্থ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্যবিধি এবং নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চললে অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটার সম্ভাবনা কমবে এবং করোনাকালেও ঈদকে আনন্দময় করে তোলা যায়।

কোরবানির ঈদে আনন্দের প্রধানতম অনুষঙ্গ হলো খাবার। অন্যান্য খাবারের সঙ্গে মূল আয়োজনে থাকে বিভিন্ন রকমের মাংসের পদ যেমন—গরু, খাসি, মহিষ এমনকি উটের। ঈদ উৎসবে সবারই মনের প্রবল ইচ্ছা বেশি করে মাংস খাওয়া। তবে খাদ্যসচেতনতা সবচেয়ে বেশি জরুরি। জনগণের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হচ্ছে কোরবানির মাংস খাওয়ার মাধ্যমে করোনা ছড়ানোর সম্ভাবনা আছে কি না। উত্তর হচ্ছে, কোরবানির মাংস কিংবা যে কোনো মাংস যদি ভালোভাবে সিদ্ধ করে রান্না করা হয়, তবে করোনা কেন, তা থেকে কোনো রোগজীবাণু ছড়ানোর সম্ভাবনা নেই। তবে রান্না করার আগে রাঁধুনিরা অবশ্যই তাদের হাত সাবানপানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নেবেন। তা ছাড়া রান্নায় ব্যবহূত বাসনপত্র ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করে নেওয়া ভালো।

করোনাভাইরাসের ভয় ছাড়াও সব সময়ই কোরবানির ঈদে মানুষের খাওয়া-দাওয়া নিয়ে থাকে নানা প্রশ্ন। যারা দীর্ঘমেয়াদি রোগে ভোগেন, তাদের মনেও খাবার নিয়ে থাকে অনেক সংশয়। এ ক্ষেত্রে বলা যায়, দু-এক দিন বেশি খেতে যদিও খুব বাধা নেই, তবু খাওয়া উচিত রয়েসয়ে। সমস্যা হতে পারে যাদের পেটের পীড়া, উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা হূদেরাগ আছে কিংবা যাদের এসব রোগের প্রাথমিক লক্ষণ আছে।

পরিমাণমতো খাবেন: মূল সমস্যাটা নিঃসন্দেহে খাবারের পরিমাণে। অনেকেই একসঙ্গে প্রচুর পরিমাণ তৈলাক্ত বা চর্বিযুক্ত খাবার খেয়ে হজম করতে পারেন না। তা ছাড়া কোরবানির মাংস পরিমাণে একটু বেশিই খাওয়া হয়। ফলে পেট ফাঁপে, জ্বালাপোড়া করে, ব্যথা করে, বারবার পায়খানা হতে পারে। পর্যাপ্ত পানি পান না করার কারণে অনেকে কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন। যদিও কোনো নির্দিষ্ট খাবার খেতে মানা নেই, কিন্তু পরিমাণ বজায় রাখা খুবই জরুরি।

ঈদের দিন তৈলাক্ত খাবার—পোলাও, বিরিয়ানি, মুরগি, খাসি বা গরুর মাংস, কাবাব, রেজালা ইত্যাদি খাওয়া হয়। এ ছাড়া আছে চটপটি, দইবড়া কিংবা বোরহানির মতো টক খাবারও। এসব খাদ্য সকাল আর দুপুরে কম খাওয়াই উত্তম। কারণ বিকেলে প্রচুর পরিমাণে মাংস খাওয়ার সম্ভাবনা থাকবেই।

সকালের খাবার: ঈদের নামাজ পড়তে যাওয়ার আগে অল্প করে সেমাই বা পায়েস খান। অনেকেই শরবত, কোমল পানীয়, ড্রিংকস, ফ্রুট জুস ইত্যাদি খাওয়া পছন্দ করেন। তবে মনে রাখা উচিত, বাজারে দেশি-বিদেশি ফ্রুট জুস যা পাওয়া যায়, সেগুলোর বেশির ভাগই আসল ফলের রস নয়। কৃত্রিম রং ও সুগন্ধি দিয়ে জুস নামের এসব পানীয় তৈরি করা হয়। চটকদার বিজ্ঞাপনের সুবাদে এগুলোই হয়ে যায় তাজা ফলের রস। আবার দীর্ঘদিন ধরে এসব জুস পান করলে শিশুদের তো বটেই, বড়দের পাকস্থলীরও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। সেই সঙ্গে লিভার ও কিডনি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। বাজারের ফ্রুট জুস পান করলে কোনো উপকার তো হবেই না, বরং স্বাস্থ্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অতএব এসব না খেয়ে মৌসুমি ফল খাবেন, তাতে মজা ও উপকার দুই-ই পাবেন।

খাবার খাবেন বুঝেশুনে: যাদের বয়স কম, শারীরিক বা হজমেরও কোনো সমস্যা নেই, তারা নিজের পছন্দমতো সবই খেতে পারেন, শুধু অতিরিক্ত না হলেই হলো, বিশেষ করে চর্বিজাতীয় খাদ্য। বেশি মাংস খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বেড়ে যায়। যাদের এনাল ফিশার ও পাইলস-জাতীয় রোগ আছে, তাদের পায়ুপথে জ্বালাপোড়া, ব্যথা ইত্যাদি বাড়তে পারে, এমনকি পায়ুপথে রক্তক্ষরণও হতে পারে। তাই প্রচুর পরিমাণে পানি, শরবত, ফলের রস, ইসবগুলের ভুসি ও অন্যান্য তরল খাবার বেশি খাবেন। পেটে গ্যাস হলে ডমপেরিডন, অ্যান্টাসিড, ওমিপ্রাজল, প্যান্টোপ্রাজল-জাতীয় ওষুধ খেতে পারেন। যাদের আইবিএস আছে, তারা দুগ্ধজাত খাবার পরিহার করুন। দাওয়াতে গেলে পরিমিত খাবেন। অতিভোজন পরিহার করার চেষ্টা করবেন। হয়তো অনেক খাওয়াদাওয়া টেবিলে সাজানোই থাকবে, কিন্তু খেতে বসলেই যে সব খেতে হবে তা নয়। রাতের খাবার খেয়েই ঘুমিয়ে পড়বেন না। খাওয়ার অন্তত দুই ঘণ্টা পর বিছানায় যাবেন। খাবারের ফাঁকে ফাঁকে পানি খাবেন না, এতে হজমরস পাতলা হয়ে যায়।

চর্বি এড়িয়ে চলুন: অতিরিক্ত চর্বি খাওয়া এমনিতেই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কোরবানির সময় বিষয়টি বিশেষভাবে খেয়াল রাখা উচিত। অনেক সময় দেখা যায়, আমরা রান্না সুস্বাদু হবে মনে করে মাংসে বেশ কিছু চর্বি আলাদাভাবে যোগ করি, এমন ধারণা একেবারেই ভুল। মাংসের সঙ্গে যথেষ্ট পরিমাণে সবজি খাওয়া যেতে পারে। পরিমিতি বোধ যেখানে রসনা সংবরণ করতে পারে, সেখানে ভয়ের কিছু নেই। মাংসে তেল বা ঘিয়ের পরিমাণ কমিয়ে দিলে, ভুনা মাংসের বদলে শুকনো কাবাব করে খেলে, কোমল পানীয় ও মিষ্টি একেবারে কমিয়ে খেলে কোরবানির ঈদের সময়ও ভালোই থাকা যায়। সেই সঙ্গে হালকা ব্যায়াম বা বেশ কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করে শরীর থেকে অতিরিক্ত ক্যালোরি কমিয়ে নিতে পারলে আরো ভালো।

বয়স্কদের থাকতে হবে সচেতন: মধ্যবয়সি ও বয়স্ক ব্যক্তিদের খাবার সম্পর্কে সচেতন থাকা আরো জরুরি। এমনকি উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস, রক্তে অতিরিক্ত চর্বি ইত্যাদি না থাকা সত্ত্বেও এই বয়সের মানুষের ঈদের খাবারের ব্যাপারে বাড়তি সতর্ক থাকা দরকার। অতিভোজনে তাদের পেটভরা ভাব, অস্বস্তিকর অনুভূতি, বারবার ঢেকুর ওঠা এমনকি বুকে ব্যথা পর্যন্ত হতে পারে। বেশি মাংস খেলে তা পরিপূর্ণভাবে হজম হতে সময় লাগে। ডায়াবেটিক রোগীকে অবশ্যই মিষ্টিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। তারা বরং টক খাবারের মাধ্যমে রসনা পূরণ করতে পারেন।

উচ্চরক্তচাপ, স্ট্রোক ও হৃদেরাগীরা: অতিরিক্ত গরুর মাংস খেলে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি বেড়ে যায়। শুধু গরু নয়, মহিষ, ছাগল ও খাসির মাংসে থাকে উচ্চমাত্রার প্রোটিন ও ফ্যাট, তাই অতিরিক্ত মাংস খেলে স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়, বিশেষ করে যারা আগে থেকেই এসব রোগে ভুগছেন তাদের ঝুঁকি আরো বেশি। তাই মাংস খাওয়ার সময় অবশ্যই খেয়াল রেখে পরিমিত পরিমাণে এবং চর্বি ছাড়িয়ে খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। সারা বছর তারা যে ধরনের নিয়মকানুন পালন করেন খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারে, কোরবানির সময়ও সেভাবে চলাই ভালো।

কিডনির রোগীদের: যারা কিডনির সমস্যায় ভোগেন, যেমন ক্রনিক রেনাল ফেইলুর, তাদের প্রোটিন-জাতীয় খাদ্য কম খেতে বলা হয়। তাই মাংস খাওয়ার ব্যাপারে আরো সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কোনোক্রমেই অতিরিক্ত মাংস খাওয়া ঠিক হবে না। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সারা বছরের মতো ঈদের সময়ও একই খাবার খাওয়াই ভালো।

মাংস সংরক্ষণ: কোরবানির পরে মাংস ভালোভাবে সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি। ফ্রিজে সংরক্ষণ সম্ভব হলে ভালো। তবে গ্রামগঞ্জে এমনকি শহরে অনেকের বাসায় ফ্রিজ না থাকলে সঠিকভাবে মাংস জ্বাল দিয়ে রাখতে হবে। এমনকি মাংস সেদ্ধ করে শুকিয়ে শুঁটকির মতো করে অনেক দিন খাওয়া যেতে পারে।

উপসংহার: ঈদ আনন্দের। আর খাবারের তৃপ্তি না থাকলে এই আনন্দ যেন পূর্ণতা পায় না। উৎসব-আনন্দ ও অতিভোজন একইভাবে চলবে। অন্তত একটা দিন হলেও সবার এমন ইচ্ছা থাকে। তার পরও সবাইকে রয়েসয়ে খেতে হবে। কারণ অসংযমীভাবে খাদ্য গ্রহণ করে শুধু শুধু এই করোনাকালে ডাক্তারের কাছে কিংবা হাসপাতালে ছোটাছুটির আদৌ প্রয়োজন আছে কি না, ভেবে দেখতে হবে। সবাইকে মনে রাখতে হবে, এবারের ঈদ অন্য সাধারণ ঈদের মতো নয়। ঈদ উদ্যাপনের পাশাপাশি স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যাপারটি সবাইকে নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। পশু কোরবানি, মাংস প্রস্তুতকরণের আগে ও পরে প্রত্যেকের হাত সাবানপানি দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। বাড়ির শিশু, বৃদ্ধ এবং যারা অন্যান্য রোগে ভুগছেন তাদের দূরে রাখা ভালো।

পরিশেষে আমাদের সবাইকে মনে রাখতে হবে, এবারের ঈদে হয়তো সবার মুখে সমান হাসি বইয়ে আনবে না। কারণ একদিকে করোনার হানা, অন্যদিকে নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্ঘটনা। অনেক মানুষের রুটি-রুজির নিশ্চয়তা নেই। অনেকেই আছেন যারা কবে তৃপ্তি করে দুমুঠো ভাত খেতে পেরেছেন বলতে পারেন না। এবারের কোরবানির ঈদটা না হয় তাদের কথা চিন্তা করেই হোক। মাসের পর মাস কোরবানির মাংস ফ্রিজে জমিয়ে না রেখে বিতরণ করুন সেই সব হতদরিদ্রের মাঝে। এতে তাদের যেমন পেট ভরবে, কিছু পুষ্টির চাহিদা মিটবে, তেমনি হবে মানবতার বিশাল কল্যাণ। আর এই আত্মত্যাগই তো কোরবানির আসল মাহাত্ম্য!

লেখক: ইউজিসি অধ্যাপক ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

রিটেলেড নিউজ

মহামারির অন্তর্নিহিত বার্তা

মহামারির অন্তর্নিহিত বার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক : সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী করোনা বিপর্যস্ত বিশ্বে স্বস্তি কবে ফিরে আসবে—এ যেন অন্তহীন জিজ্ঞাসা। এটা...বিস্তারিত


যে আসক্তি মাদকের চেয়েও ভয়ংকর

যে আসক্তি মাদকের চেয়েও ভয়ংকর

নিজস্ব প্রতিবেদক : নাঈমা আক্তার রিতা আধুনিকতার আশীর্বাদে বর্তমান প্রজন্মও যথেষ্ট আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর। করোনা...বিস্তারিত


আগুনে আর কত প্রাণ যাবে?

আগুনে আর কত প্রাণ যাবে?

নিজস্ব প্রতিবেদক : ইমরান হুসাইন আগুন লাগা, আগুনে পুড়ে মারা যাওয়া এটি আমাদের কাছে কোন নতুন ঘটনা নয়। আমাদের দেশে এটি যে...বিস্তারিত


করোনা তাণ্ডব: উচ্চশিক্ষার সংকট

করোনা তাণ্ডব: উচ্চশিক্ষার সংকট

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রফেসর ড. আবদুল খালেক করোনার এক বছর পূর্তি হয়ে গেছে। ২০২১ সালের মার্চ মাস আমরা অতিক্রম করেছি। ২০...বিস্তারিত


মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কি?

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কি?

শাহ আশরাফ আহমেদ রাজেন : দেশে যেভাবে কওমী মাদ্রাসা শিক্ষা বাড়ছে, তা কি আনন্দের নাকি আতংকের ! এখানে পড়াশোনা শেষ করে শিক্ষার্...বিস্তারিত


ভিন্ন আঙ্গিকে এবারের ঈদ ‘ইত্যাদি’

ভিন্ন আঙ্গিকে এবারের ঈদ ‘ইত্যাদি’

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঈদ আর ঈদের ‘ইত্যাদি’ দু’টি যেনো একই সূত্রে গাঁথা। দীর্ঘ তিন দশক ধরে ‘ইত্যাদি’ ঈদের ঐতিহ্যে...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

বেগমগঞ্জে কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২

বেগমগঞ্জে কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২

নিজস্ব প্রতিবেদক : নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগে দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পু...বিস্তারিত


নোবিপ্রবিতে শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা 

নোবিপ্রবিতে শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা 

এস আহমেদ ফাহিম : নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর