এগিয়ে আ’লীগ, আশায় বিএনপি

46

আগামী ৩০ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৪ (সদর ও সুবর্ণচর) আসনে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির একপ্রার্থী ভোট যুদ্ধে অংশগ্রহণ করছেন। এছাড়াও আসনটিতে বিভিন্ন দল থেকে আরো ৬প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন বলে জানা গেছে। বড় দুই দলের একক প্রার্থী হলেও প্রচার প্রচারণায় এগিয়ে রয়েছেন আওয়ামীলীগের প্রার্থী জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী। তবে সুষ্ঠ ও নিরেপক্ষ নির্বাচন হলে জয়ের পক্ষে আশাবাদী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মোহাম্মদ শাহজাহান।

জানা গেছে, ১৯৯১সাল থেকে ২০০৬সাল পর্যন্ত নোয়াখালী-৪ আসনটি বিএনপির প্রার্থীর দখলে ছিল। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে বিএনপি প্রার্থী আলহাজ¦ মোহাম্মদ শাহজাহানকে পরাজিত করে নির্বাচিত হন একরামুল করিম চৌধুরী। ২০১৪ সালের নির্বাচনেও সাংসদ নির্বাচিত হন তিনি।

এলাকা ঘুরে জানা গেছে, সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরী প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সদর ও সুবর্ণচর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সাধারণ ভোটারদের সাথে মতবিনিময়, কর্মীসমাবেশ, গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক করে সবার সমর্থন চাচ্ছেন। তিনি তার বিগত ১০ বছরের সাফল্য, উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরছেন জনগনের মাঝে। তিনি বাড়ী বাড়ী বিদ্যুৎ, নতুন সড়ক নির্মাণ, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান’সহ নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। তৃণমুল পর্যায়েও রয়েছে একরামের ব্যাপক জনপ্রিয়তা। তিনি জেলার দায়িত্বশীল নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে জেলা আওয়ামীলীগকে সুসংগঠিত করেছেন।

এদিকে, আসনটিতে বিএনপি প্রার্থী আলহাজ¦ মোহাম্মদ শাহজাহানকে ঘিরে জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস ও আনন্দ বিরাজ করছে। তিনি এলাকায় নেতাকর্মীদের নিয়ে মতবিনিময়, কর্মীসমাবেশ, গণসংযোগ করছেন। তিনি তার তৎকালীন আমলে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজের চিত্র তুলে ধরছেন জনগনের কাছে। তাই এবার পূর্ণপ্রস্তুতি নিয়ে নির্বাচনে নেমেছেনে তার হারানো দূর্গ পুনঃদখলে নিতে। আর সাধারণ কর্মীরাও আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার জন্য যোগ্য প্রার্থী ভাবছেন শাহজাহানকে।

নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ খায়রুল আনম সেলিম জানান, আমাদের দলীয় প্রার্থীর পক্ষে প্রতিদিন নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের দায়িত্ব হবে সম্মিলিতভাবে কাজ করে একরামুল করিম চৌধুরীকে বিপূল ভোটের ব্যবধানে জয়ী করা। গত ২০০৮ ও ২০১৪ সালের নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

আসনটির ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও তৃণমূল সমন্বয়ক আলহাজ¦ মোহাম্মদ শাহজাহান জানান, তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে তিনবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। তৎকালীন সময়ে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন তিনি। তাই আগামী ৩০ডিসেম্বরের নির্বাচন যদি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয় তাহলে তিনি বিপুল ভোটে জয় লাভ করবেন বলে আশা করেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here